শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১,  ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮,  Friday, July 30, 2021


দ্যা বাংলা টাইম

আপডেট : 1 week ago

Wed, Jul 21, 2021 1:02 AM

 

মহাকাশে বেজোস: গেলেন এবং ফিরে এলেন

Card image cap

বিশ্বের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোস মহাকাশে গেলেন এবং ঘুরে ফিরে আসলেন। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ভ্যান হর্নের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা ১২ মিনিটে বেজোস ও তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে নিউ শেপার্ড রকেট মহাকাশের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

উৎক্ষেপণের পর প্রায় ৭৬ কিলোমিটার গিয়ে তাঁদের বহনকারী ক্যাপসুলটি রকেট থেকে আলাদা হয়। পরে উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ২ মাইল দূরে রকেটটি নিরাপদে নেমে আসে। আর ক্যাপসুলটি বেজোস ও তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও মহাকাশের সীমানা টানা কারমান লাইন অতিক্রম করে। ১০৬ কিলোমিটার বা ৩ লাখ ৫০ হাজার ফুট ওপরে উড়ে যায় সেটি। এরপর ১০ মিনিটের মহাকাশযাত্রা শেষে আরোহীদের নিয়ে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বেজোস নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের তৈরি নিউ শেপার্ড নামের একটি রকেটে চড়ে মহাকাশে উড়েছেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল মহাকাশ যাবার আর আজ তিনি সেটা করে দেখালেন। আর এ জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন চান্দ্রোভিযানের দিনটিকে। আজকের দিনে আসার জন্য তাঁকে অবশ্য পারি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ। মহাকাশে যাবার স্বপ্ন পূরণে তিনি নিজের কোম্পানি গড়েছেন। সেই কোম্পানি থেকেই বানিয়েছে রকেট। তবে ব্যবসায়ী তো তাই সব কিছুতেই তিনি সফল হতে চান। নিজের কোম্পানির বানানো যে রকেটে চড়ে আজ তিনি ঘুরে এলেন মহাকাশে সেটি দিয়ে তিনি মহাকাশ পর্যটন শিল্পের বিকাশ করতে চান। পৃথিবীতে সেরা ধনী হয়ে তাঁর এখন লক্ষ মহাশূন্য। 

মহাশূন্যে ১০ মিনিটের এই যাত্রায় বেজোসের সঙ্গী হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর ছোট ভাই মার্ক বেজোস। ৫৩ বছর বয়সী মার্ক নিউইয়র্কভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান রবিন হুডের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট।

এই যাত্রায় বেজোসের সঙ্গী হয়েছেন বিশ্বের প্রথম দিককার বিমানচালক ৮২ বছরের ম্যারি ওয়ালেচ (ওয়্যালি ফাঙ্ক নামে সমধিক পরিচিত) এবং নেদারল্যান্ডসের একটি প্রাইভেট ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সিইও জোয়েস ড্যামেনের ১৮ বছরের ছেলে ওলিভার ড্যামেন।

ফিরে এসে বেজোস বললেন, এটা খুবই আনন্দদায়ক একটি অভিজ্ঞতা। এটা জীবনের সেরা দিন।

ছবি, গুগল।